বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:১৩ অপরাহ্ন
ভয়েস প্রতিবেদক :
করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে আরোপতি বিধিনিষিধেরে ফলে সাময়কিভাবে র্কমহীন ও দুস্থ মানুষরে মাঝে বিতরণের জন্য কক্সবাজার জেলায় এ র্পযন্ত ৫ দফায় ১ জিআর চাল ১৮৫০ মট্রেকি টন, ২ জিআর ক্যাশ ৯৬ লক্ষ টাকা, ৩ শিশুখাদ্য ক্রয়বাবদ নগদ র্অথ ২৭ লক্ষ টাকা বরদ্ধা দেয়া হয় হয়েছে জেলা প্রশাসকের এক প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানাযায়।
সূত্র জানায়, উপজলো নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে ইউনয়িন পরিষদের চেয়ারম্যানদের হতে প্রাপ্ত চাহদিার ভিত্তিতে উক্ত চাল পরিবার সংখ্যা, দারিদ্রতা , ঝুঁকির মাত্রা বিবেচনা করে উপজেলা ভিত্তিক বরাদ্ধ দেয়া হয় :

একইভাবে জিআর ক্যাশ ৭৫,৮৩,১০৮ টাকা এবং শিশুখাদ্য ক্রয়বাবদ ২১,০০,০০০ টাকা উপজলো র্পযায়ে উপ-বরাদ্দ প্রদান করা হয়ছে। যা পরিবার প্রতি বিতরণ এবং কম বশেী হলে পুন: চাহদিার ভিত্তিতে পরর্বতীতে দেয়া হবে র্মমে নির্দেশনাও দেয়া হয়ছে। জরুরী পরস্থিতিতিে বিতরণের জন্য জিআর চাল ৩০০ মেঃ টন,জিআর ক্যাশ ২০ লক্ষ ১৭ হাজার টাকা এবং শিশুখাদ্য ক্রয়বাবদ ৬ লক্ষ টাকা মজুদ রয়েছে জানান।
র্বতমান পরস্থিতিতিতে সরকারি ত্রাণরে পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যক্তি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান , যেমন রাজনতৈকি দল, এনজওি, ব্যক্তি সংগঠন, সংস্থা প্রভৃতি উপজলো প্রশাসনরে সাথে সমন্বয় করে সমাজরে বিভিন্ন স্তরের অসহায় মানুষরে মাঝে ত্রাণ বিতরণ করছে। জেলার ৮ টি উপজলোয় তারা এ র্পযন্ত ৪৯,৮১৭ জন উপকারভোগীর নিকট নগদ র্অথ সহায়তা বাবদ ১,০৪,৫৫,০০০ টাকা এবং বিভিন্ন ধরণরে খাদ্য সহায়তা যার আনুমানকি আর্থিক মূল্য ২,৫৪,২৩,৬৪৬ টাকা বিতরণ করা হয়েছে। উক্ত বিতরণ উপজেলা সমূহে ইউনিয়ন পরিষদ হতে প্রাপ্ত চাহদিা অনুসারে ত্রাণ বিতরণ করা হয়। এ যাবৎ সকল উপজেলায় সুষ্ঠুভাবে ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসকের ও ইউএনওদের মোবাইলে পাঠানো মেসেজ, ফেসবুক মেসেঞ্জার, ৩৩৩ প্রভৃতি মাধ্যমে মানুষজন ত্রাণ সহায়তা চেয়ে থাকে। যা তাৎক্ষণিকভাবে সরবরাহ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সারা বাংলাদেশে ৫০ লক্ষ পরিবারকে মাসিক ২০ কেজি হারে চাল প্রদানের ঘোষণা দেন। সে অনুযায়ী কক্সবাজার জেলায় ৭৫,০০০ পরিবার এ সুবিধার আওতায় আসবে।
বিগত ২ মেকক্সবাজার জেলায় কোভিড ১৯ সংক্রান্ত কার্যাবলী সমন্বয়ের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কর্তৃক দায়িত্বপ্রাপ্ত সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ এর সভাপতিত্বে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জেলার মাননীয় সংসদ সদস্যবৃন্দ, মেয়র, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সহ প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। সভায় প্রাপ্ত ৭৫,০০০ পরিবারের বরাদ্দ সর্বশেষ জাতীয় আদমশুমারির জনসংখ্যা অনুযায়ী বিভাজনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সে অনুযায়ী ৭৫,০০০ পরিবারের বিভাজন

জেলা প্রশাসনের মতে, ত্রাণ বিতরণে সম্ভাব্য উপকারভোগীর নির্ভুল তালিকা প্রণয়ন একটি কঠিন কাজ। সাধারণত, স্থানীয় পর্যায়ের জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে প্রণীত তালিকা-ই চূড়ান্তভাবে অনুমোদিত হয়ে থাকে। কোন কোন ক্ষেত্রে উপযুক্ত ব্যক্তির নাম তালিকা হতে বাদ পড়া, একই মানুষ একাধিক সুবিধা পাওয়া, বেনামী মানুষের অন্তর্ভূক্তি ইত্যাদি অভিযোগ উত্থাপিত হয়ে থাকে।
ত্রাণ বিতরণের জরুরি প্রয়োজনীয়তা থাকায় অত্যন্ত স্বল্প সময়ে তালিকা প্রণয়ন করা হয় বলে পুরোপুরি নির্ভুল একটি তালিকা প্রণয়ন করা অনেক সময় কষ্ট সাধ্য হয়। এ সমস্যা সমাধানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের এক্সেস টু ইনফরমেশন কর্মসূচির সহায়তায় ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়নের উদ্দ্যোগ গ্রহণ করেছে।
জেলা প্রশাসন আশা করেন, ত্রাণ বিতরণে দ্বৈততা সহ অন্যান্য ত্রুটি- বিচ্যুতি পরিহার করা সম্ভব হবে। করোনাভাইরাসের সম্ভাব্য সংক্রমণ প্রতিরোধে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশব্যাপী যে সর্বাত্মক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে তার অংশ হিসাবে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন শুরু থেকেই নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করে। কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত পর্যটক বিহীন করা, বিদেশ-ফেরত প্রবাসীদের হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করা, সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখা, জেলার বাইরে থেকে জনগনের প্রবেশ বন্ধ তথা লকডাউন বাস্তবায়ন করা, অভাবী মানুষের ঘরে ঘরে ত্রাণ পৌছে দেয়ার জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সহ বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ, পুলিশ, সশস্ত্রবাহিনীর সদস্যবৃন্দ, আনসার বাহিনীর সদস্যবৃন্দ নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।
দ্রুত জনসেবার স্বার্থে , দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে একজন বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেয়ার কাজে নিয়োজিত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সকল প্রয়োজনে জেলা প্রশাসন তাদের পাশে রয়েছে। ঘরে বসে নাগরিকগণ যেন প্রাথমিক চিকিৎসা পেতে পারেন সেজন্য ভ্রাম্যমাণ হাসপাতালও স্থাপন করা হয়েছে।
জেলার সম্মানিত জনপ্রতিনিধিবৃন্দ, পুলিশ বাহিনী, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, এনজিও, রাজনীতিবিদবৃন্দ, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, ছাত্র সংগঠন, স্বেচ্ছাসেবক, সাংবাদিক এবং স্বাস্থ্য বিভাগসহ সরকারি কর্মচারীরা একসাথে কাজ করছেন।
জেলা প্রশাসন, প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ধন্যবাদ জানিয়ে দৃঢ়ভাবে বলেন, জেলার প্রতিটি মানুষের কল্যাণে তার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে সদা সচেষ্ট। একাজে মাননীয় সংসদ সদস্যগণ, পৌরসভার মেয়র, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যগণ সহায়তা করে যাচ্ছেন। আমরা, সম্মানিত রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, স্বেচ্ছাসেবক ও পেশাজীবী সকলের আন্তরিক সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।
আইনশৃঙ্খলা বিষয়ে বলেন, সকল উপজলা প্রশাসন স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং জনপ্রতনিধিদিদের নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার সম্বলতি লোগো ব্যবহার করে অসহায়-দরিদ্র মানুষের ঘরে ঘরে ত্রাণ পৌঁছে দিচ্ছেে। এতে কোথাও কোন বিশৃঙখলা পরিলক্ষিত হয়নি।
জেলা প্রশাসন আশা প্রকাশ করেন, সংশ্লিষ্ট সকলে তাদের আন্তরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখবেন এবং সকলের সম্মিলিত প্রয়াসে এ কঠিন দুর্যোগ মোকাবেলা করে আমাদের কক্সবাজার জেলাকে সুরক্ষিত রাখতে বদ্ধপরিকর।
ভয়েস/জেইউ।